বই

By @tuki5/1/2018bangla

দুপুরের দিকে চায়ের দোকানটা অনেকটা নির্জন হয়ে যায়।
আবার যখন বিকেলের দিকে সূর্য হেলে পরে আর পুকুর পাড়ের গাছটির ছায়াটি এসে পরে দোকান্টির ওপর তখন আবার লোকজনের আনাগোনা
শুরু হয়।এই চায়ের দোকানটি আবশ্য অন্যান্য এলাকার দোকানের থেকে আলাদা আর এই রাস্তায় সবাই একে মোহনের চায়ের দোকানই বলে চেনে।
সবুজ আর নীল খুবই ভাল বন্ধু।প্রতিদিন কলেজ শেষ করে
এই মোহনের দোকানের সামনে সবুজ,নীল আর কিছু বন্ধু মিলে আড্ডা দেয়।কত দিন হল সবুজ নীলের কাছ থেকে বই নিয়ে পরামর্শ করবে বলে বলছে কিন্তু নীলের কোন পাত্তাই নাই।আজও আসার কথা কিন্তু কই সেই সবাই আছে কিন্তু সেই নীলের কোন খবর নেই।ঘড়ির কাটা ঘুড়তে ঘুড়তে সময় হল বিকাল ৫টা কিন্তু সে নাই।পেটে ডাকাডাকি শুরু করেছে।প্রায় ছয় সাত কাপ চা শেষ হয়ে গেছে এবার বিস্কুট গুলো শেষ হতে চলল।এর মধ্যে আবার কোথা থেকে বৃষ্টির আগমন হল কে যানে রে বাবা। লোকজন
সব ছোটা ছুটি শুরু করল।শান্তি মত বসা ছিলাম এখন বিস্কুট ছেরে আগে দোকানের মধ্যে ঢুকি>>>এমনতেই মন মেজাজ ভাল নেই তার পর এই ছোট্ট দোকানের ভিতর লোকজনের ঠাসাঠাসি শুরু হল।হঠাত কোথা থেকে তার
আগমন।তিনি সাইকেল নিয়ে ঠেলতে ঠেলতে আসছেন।যাক তাহলে তিনি আস্লেন।নীল বলল সবুজকে >>>ভালইত দোকানে বসে চা,বিস্কুট ধ্বংস করছিস।আর আমাকে দেখ ভিজে মুরগী ভেজা হয়ে গেছি।সবুজের
মন আরো খারাপ হয়ে গেল।এমনিতেই দেরি করে এসসে এখন আমাকে জ্ঞানের কথা শোনাচ্ছে,যাই হোক মনটাকে শান্ত করে বললাম কোথায় গেয়েছিলি...এত দেরী হল যে হাতে ওটা কি রে। নীল বলল ও কিছু না
রেশানের চাল তুলে নিয়ে আসলাম। আচ্ছা দ্দারা এই চাল থেকে কেজী খানেক চাল আলাদা কর।সবিজ> কেন রে চাল আলাদ্দা করে কি করবি ।
নিল>আমিত তমার মত বড় লোকের ছেলে না এইভাবে চাআল আলাদা করে কেজি দশ বারো হলে তা বাজারে বেচে যে টাকা হয় তা দিয়ে
আমার বই কিনতে হয়।সবুজ নীলের মুখের দিকে চেয়ে থাকল।সবুজ অনেকটা আবাকই হয়ে গেছে ওর কথা শুনে।এর ওরা মোহ্নের দোকানের পাশে রাখা বেঞ্চটিতে এসে বসল।

                                (ছোট গল্প)
10

comments