বিষয়টা ঠিক এরকম- যে আপনি একটি কাজ শুরু করতেছেন। এখন কেহ ভেটো দিলো আপনি কাজ বন্ধ করে দিলেন। আবার কেহ উৎসাহ দিল আপনি আবার শুরু করলেন। মানে আপনি আপনার লক্ষ্যে ঠিক থাকতে পারতেছেন না।
source
আমার নিজের জীবন থেকে উদাহরণ দেই। যেমন আমার চাকুরী করতে একেবারেই ভাল লাগে না। আমার লক্ষ্য অনলাইনে কিছু করা। কিনতু এখন পর্যন্ত আমাকে যে কত কথা শুনতে হয়েছে তার কোন ঠিক ঠিকানা নেই। এত নেগেটিভ কথা শুনে আসলে নিজের লক্ষ্যে টিকে থাকা খুব কঠিন। কিনতু যে যাই বলুক কোন কথাই আমার মাথার ভিতরে অবস্থান করতে পারে না। এককান দিয়ে ঢুকে আর এক কান দিয়ে বের হয়ে যায়। কিনতু এটা সবার হয়না। এককান দিয়ে ঢুকে আর এক কান দিয়ে বের করা আসলে কঠিন।
মূলত কিছু যুক্তি যা ব্যবহার করেই আমি এই কঠিন কাজটিকে (মানে অপরের কথায় প্রভাবিত হওয়া) সহজ করে নিয়েছি। সেই অভিজ্ঞতা গুলো শেয়ার করার চিন্তা করলাম আপনাদের সাথে। কারও যদি কাজে লাগে তো খারাপ কি।
আপনি যাই ভাবুন সমাজের মানুষগুলো আসলে কেমন? সমাজের কোন সফল মানুষ কি আপনাকে টেনে তুলে সফলতার পথে হাটিয়ে দিবে? মোটেই না। আবার আপনি নিজের চেষ্টায় সফল হলে তখনও সেখান থেকে তারা ভোগ করতে পারবে না।
আসল কথা হচ্ছে সমাজের শ্রেণীটা আসলে আপনার সফলতায় যেমন বাহবা দিবে তেমনি আপনি জীবনে কিছু করতে না পারলে তিরস্কার করে আপনার কান ঝালাপালা করে দিবে। এমনকি অসহ্য হয়ে আপনি আত্নহত্যার পথও বেছে নিতে পারেন।
এর মানে কি দাড়াল?? সমাজের শ্রেণীটা যেমন আপনাকে উপরে ঠেলে দিতে পারবে না আবার আপনি উপরে উঠতে পারলে নামাতেও পাড়বে না। তারা শুধু বাহবা অথবা তিরস্কার নিয়ে বসে আছে। তাই কারও কথায় কান না দিয়ে আপনি আপনার লক্ষ্যে এগিয়ে যান। প্রথম দিকে তাদের কঠিন কিছু কথা সহ্য করা লাগলেও বাহবা আপনার জন্য অপেক্ষমান। তারাই বলবে ওমুকের ছেলে অনেক কিছু করল, বলতে হবে ছেলেটার যোগ্যতা আছে। আবার জীবনে খারাপ কিছু হলে তারাই বলবে সারাজীবন ছ্যাচরামী করে চলেছে (আপনি ভাল হলেও বেশিরভাগক্ষেত্রে) জীবনে কিছু করবে কিভাবে?
সো সিদ্ধান্ত আপনার। কি করতে চাচ্ছেন।
বিঃদ্রঃ কথা গুলো একমাত্র আমার নিজস্ব মতামত। আপনি অবশ্যই আমার কথার সাথে দ্বিমত পোষন করার পূর্ন অধিকার রাখেন। তাই আপনার মূূল্যবান মতামত কমেন্টে জানান।
