
মাঝে মাঝে গলা ফাটিয়ে চিৎকার করলেও সে চিৎকার কি জন্য,কি জন্য চিৎকার?সেটা ভাবার সময়টুকু মানুষ দেয় না নিজেদের।আর চিৎকার শুনে তার কাছে এসে চিৎকারের কারণ জিজ্ঞেস করা তো অনেক পরের ব্যাপার।আসলে মানুষ নিজেকে ভালবাসতে শিখে গেছে।এটাকে ঠিক ভালবাসতে পারা বলা কি না আমার জানা নাই।কারো কষ্টে মুখের কথা দ্বারা সান্তনা দেবার মত মানুষ ই এখন পাওয়া যায় না।।হাত বাড়িয়ে সাহায্য করতে এগিয়ে আসলে কি এম্ন ক্ষতি হবে!নিজের ওপর বিপদ এসে যাবে?
"অন্যকে সাহায্য করতে গিয়ে নিজে বিপদে পড়াটা একদম ঠিক হবে না"সেটাই তো তোমার মনে ঘোরপাক খাবে?তোমার না শুধু,আমরা সবাই ই এমন।
মাঝে মাঝে নিজের কাছে ছোটখাট ব্যাপারকে অনেক বড় মনে হয়।আবার অনেক সময় বড় ব্যাপার গুলোকে আমরা বড় বুঝি ঠিক ই কিন্তু মনের জোরে ছোট বানিয়ে তুচ্ছ করে দূর সরিয়ে রাখি।কোথায় যেন শুনেছিলাম,মানুষের নাকি দুইটা রূহ,একটা ভাল আর একটা খারাপ।আসলে এই রকম না।মনের পক্ষে এবং বিপক্ষে দুইটা ব্যাপারই আসল।সেখান থেকেই দুইটা চরিত্র একসাথেই বাস করে আমাদের মাঝে।কারো জন্য,কারো বিপদে উপকার করার জন্য যদি একবার মনঃস্থির করি,দুইবার মন বাধাঁ দেয়।দশ হাত সাহায্যের জন্য এগিয়ে গেলে পিছনে ২০টা হাত শক্ত করে ধরে রাখে,আর বলতে থাকে," আরে তোর মাথা নষ্ট!অন্যের উপকার করতে গিয়ে নিজের উপর বিপদ ডেকে আনবি নাকি?সাবধান ভুলেও যাবি না।"
আসলে আমরা সবাই নিজেরে ভালবাসতে গিয়ে নিজেদেরই কষ্ট দিচ্ছি।আমরা নামেই মানুষ,ক্রমশ ই পশু থেকেও জঘন্য হয়ে যাচ্ছি।বর্তমান ও ভবিষ্যতে আমরা আরো খারাপ হয়ে যাব।
তখনও খুব ভালবাসব নিজেকে,চিৎকার ও দিব।মাঝে মাঝে গলা ফাটিয়ে চিৎকার দিব।কেউ শুনবেও না,পাত্তা ও দিবে না।তখন অনেক বেশি কাঁদতে ইচ্ছা করবে।হাসি থেকেও কান্নাটাই মানুষের অনেক বেশি আপন হয়ে যাবে।কান্না করা যাবে যখন তখন।আমি কাঁদব, আপনি ও কাঁদবেন।একসময় চোখের পানিও শুকিয়ে যাবে,তারপর ও আমি আমাকেই ভালবাসব,আমরাই মানুষ :'(