পিঁপড়া শিশির কণার পানিকেও বন্যা মনে করে! ছোট পুঁটিমাছ বালতির পানিকেও সাগর মনে করে! মতিউর রহমান মাদানীর অবস্থাও অনুরুপ হয়েছে।
.
সৌদি আরবের প্রত্যেক সিটিতে দাওয়া চেন্টার আছে। সেখানে পাকিস্তান,বাংলাদেশ, ভারতসহ বিভিন্ন কান্ট্রির অসংখ্য লোক চাকরী করেন। মতিউর রহমান তদের মত বেতনধারী একজন চাকরীজিবী মাত্র। এর বাইরে কিছু নয়। সে ইউটিবে বিভিন্ন বড়-বড় আলেম-ওলামার বিরুদ্বে বিদ্বেষ ছড়িয়ে নজর কাড়েন। তার সে মিথ্যা অপ-প্রচার, বিদ্বেষের জবাব দিতে গিয়ে ফেসবুকে পরিচিতি হয়ে উঠে। এইটুকু মাত্র।
.
সাম্প্রতিক এক ভিডিওতে দেখলাম বিশ্ববরেণ্য ইসলামী স্কলার উস্তাদ নোমান আলীর' প্যান্ট ধরে টানাটানি করছে! ইয়ে মানে, নোমান আলীকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য হেয় করে ল্যাকচার বিলাইছে। এইসব আসলে ফাজলামী। শাহবাগীরা তাদের পদ্বতিতে আলেম-ওলামাদের হেয় করে আর মতিউর রহমান আলেম বেশ ধরে একই কাজ করেছে।
শেষ কথা হল, আমাদের তরুণ সমাজকে ইসলামী ছদ্মবেশী এই শাহবাগী থেকে সতর্ক থাকতে হবে এবং সতর্ক করতে হবে। তবে কোয়ার ব্যাঙকে বেশী গুরুত্ব দেয়ার দরকার নাই। দাম্মামে বসে বাংলা লিংক দামে ব্যাক্তি বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে ভারতীয় এই নখর। তার কিছু অন্ধ মুরীদ ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। তারা হয়ত বেতনভুক্ত, না হয় ব্রেইন ওয়াশড। মুখোশ এখন প্রায় উম্মোচিত। অনেকের ধারণা সে ব্যাক্তি কোন শক্তিশালিনী গোয়ান্দা সংস্থার এজেন্ট হতে পারে।