কিশোর বয়সটা ই হচ্ছে ভুল করার বয়স । কিশোর/কিশোরীরা ভুল করবে এটাই স্বাভাবিক । পৃথিবীর সকল কিশোর/কিশোরীর রয়েছে এ বয়সের কমন কিছু ভূল । যা তাকে ঠেলে দেয় মারাত্মক ক্ষতির দিকে । কিছু খারাব অভ্যাস আছে যাতে সে অভ্যস্ত হয়ে পড়লে তা পরিত্যাগ করা তার জন্য অসাধ্য হয়ে পড়ে । অতএব উক্ত কিশোর/কিশোরীর ফ্যামিলি মেম্বারদের মধ্যে যিনি বা যারা লাইফের এ স্টেজ পার করে এসেছেন তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্যের মধ্যে পড়ে তাদের ছোট ভাই/বোনের এসব বিষয়ে সচেতন হওয়া । বিশেষ করে ফ্যামিলির বড় ছেলে/মেয়ের এ ব্যাপারে সবচেয়ে বেশি সজাগ দৃষ্টি রাখা উচিত । কারণ বাবা/মা এবং সন্তানের মধ্যে একটা জেনারেশন গ্যাপ আছে । তাই তাদের চিন্তা-ভাবনা থাকে তাদের জেনারেশনের পরিস্থিতি অনুযায়ী । আর এ কারণেই তাদের সন্তানেরা চোখে ধুলো দিয়ে তাদের সামনে মারাত্মক রকমের ভুল করতে থাকে । আর তারা তা বুঝতেই পারেন না । আর যখন তারা বুঝেন তখন অনেক দেড়ি হয়ে গেছে । উক্ত কিশোর/কিশোরী তখন অপরাধ জগতে ধরাছোয়ার বাহিরে চলে যায় । তাকে আর ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয় না । এমনকি অনেক কিশোর/কিশোরী ভুলের জগতে হারিয়ে গিয়ে জীবন প্রদিপ নিভিয়ে ফেলে । আর তখন বাবা-মায়ের “ইশ আমি/আমরা আগে কেনো সচেতন হলাম না, আরো আগে কেনো আমার সন্তানের ব্যাপারে খোজ খবর নিলাম না এ জাতীয় আফসুস করা ছাড়া আর কিছুই করার থাকে না । কিন্তু বড় ভাই/বোনের চোখে ধুলো দিতে তাকে একটু ভাবতে হয় যে, ভাইয়া/আপুর কাছে এসব বলে পার পাওয়া যাবে না, তারা বুঝে ফেলবে ।
#আমার ছোট ভাই
কিশোর/কিশোরীদের নিয়মিত ভূল করে যাওয়ার সুযোগ পাওয়ার একমাত্র কারণ ই হচ্ছে বাবা-মা, বড় ভাই-বোনের অসচেতনতা এবং ভূল মানসিকতা । তারা যখন পত্র-পত্রিকা/স্যোসাল মিডিয়া মারফত অহরহ আশে-পাশে ঘটে যাওয়া অন্য কিশোর/কিশোরীদের ভূল ও তার পরিণাম সম্পর্কে শুনেন তখন নিজের সন্তান/ছোট ভাইয়ের ব্যাপারে আগের চেয়ে বেশি সতর্ক হওয়ার পরিবর্তে তারা তাদের সন্তান/ছোট ভাইকে “দুধের ধোয়া তুলসি পাতা” মনে করতে থাকেন । এবং কিছুটা ছাড় দেয়া শুরু করেন । রাতে দেরি করে বাসায় ফিরলো কিনা, প্রাইভেট পড়ার কথা বলে আসলেই স্যারের কাছে গেলো নাকি অন্য কোথাও গেলো? স্কুলে বা প্রাইভেট টিউটরের কাছে ঠিকমত পড়া আদায় করতে পারছে কিনা? না পাড়লে তার পিছনে কি কারন হতে পারে? কেন পড়ার টেবিলে মন বসছে না এসব বিষয়গুলো নিয়ে তারা মাথ ঘামানো একদমই ছেড়ে দেন । চলবে............